আমি নুসরাত

আমি নুসরাত,আমায় চেনো…?
বিচার না দাও কিন্তু আমায় ভুল না যেন।

আমি বাংলাদেশে ধর্ষিত হওয়া মেয়ে
না মরলে,কেউ দেখতো না আমার দিকে চেয়ে

মরে গেছি তাই তো আজ বাংলার কাছে দামি
বেচে থাকলে ধর্ষিতা এক নগ্ন মেয়ে হতাম আমি

কদিন আগেই সবার বোন হয়ে গিয়েছিলাম আমি
হুচুকে বাঙালী,মাঝে মাঝে দেখায় মাতলামী

এখনো আমার কবর থেকে যায়নি পোড়া গন্ধ
বোনের শোক ভুলে ভায়েরা করছে মহানন্দ

তনু আমায় বলেছে
(মরে গেছো জিতে গেছো,দুঃখ ভুলে যাও
হুচুকে বাঙালী প্রবাদটা সত্য মেনে নাও)

Advertisements

লিপিস্টিক ❤

  • ❤প্রেমানুভূতি❤

অসাধারন শিল্পী তুমি।তোমার শিল্পের কোনই তুলনা হই না।
কারন তুমি খুব সুন্দর করে ঐ চিকন ঠোঁটে মোমরংএর কারুকাজ করতে পারো।

এত সুন্দর তোমার ঐ ঠোঁটের কারুকার্জ যে তুমি কথা না বল্লেও সে নিযে থেকেই কথা বলে।একদিক ভাজ করে বলে,বেশি হয়ে যাচ্ছে কিন্তু।আবার দুইদিক ভাজ করে বলে,তোমাকে নিয়ে আর পারি না।কখনও একটু মোটা হয়ে নিজ জায়গা থেকে বেরিয়ে এসে বলে,আমি কিছুই জানি না।আরো কত ভাষা….!!
অনুভূতিও অনেক পরিবর্তন হয় রংএর সাথে সাথে।যখন লাল তখন এক রকম,যখন সাদা তখন একরকম,যখন গোলাপি তখন আরেক রকম।আরো কত রঙ কত্ত কত্ত অনুভব,অনুভূতি,কত রকম হাসি,,কত্ত কত্ত রকম ভাষা….সবই যেন নিযের চোখের সামনে সৃষ্টি হওয়া একজন শিল্পীর শিল্পকর্ম।আর যখন কালো মুদ্রণসজ্জার সাথে চিকন ঐ ওষ্ঠকালো রঙে রঙিন করো তখন যেন মোনালিসার ওষ্ঠের ভাষা,আর হাসিও হার মেনে যায়।

সত্যি তুমি শিল্পী।অসাধারণ তোমার শিল্পকর্ম ❤

আমার ধর্মীয় দৃষ্টিতে পহেলাবৈশাখ

জীবনীশক্তিকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দেওয়া, আত্মার কামনাকে যথেচ্ছভাবে পূরণ করা আর হৃদয়ের অনুভূতিকে বিচিত্রভাবে প্রকাশ করার নামই সংস্কৃতি। তবে অন্যকে দলিয়ে নিজের ভোগ, বিকাশ আর প্রকাশই যদি কারো একমাত্র লক্ষ্য হয়, তাহলে তাকে সংস্কৃতিবান না বলে গোঁড়া বলাই শ্রেয়। কারণ যার কাছে অন্যের চাওয়া-পাওয়া আর বিকাশের কোনো মূল্য নেই, সে সংস্কৃতিবান হতে পারে না। অন্যের অধিকারকে মিটিয়ে দিয়ে যে শুধু নিজের ভোগের কথাই ভাবে, তার পক্ষে পৃথিবীটা ধ্বংস করা সম্ভব, কোনো কিছু সৃষ্টি করা নয়। ধর্মের কাজ হলো সবার চাওয়া-পাওয়ার সমম্বয় সাধন করা, সব আত্মার পূর্ণ বিকাশে সুন্দর জগৎ সৃষ্টি করা। বিশেষ করে ইসলামের কাজ সেটাই। তাই ইসলামকে কালচার বিরোধী, প্রগতি বিরোধী বলাটা বড় অন্যায়। বৈশাখ বাংলা বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস এবং বাঙালি সংস্কৃতির মূল আধার। সুদূর অতীত থেকে বৈশাখ মাসজুড়ে বিশেষ করে পহেলা বৈশাখে নানা আনুষ্ঠানিকতার আয়োজন বাঙালি সংস্কৃতির মহিমাকেই প্রকাশ করে আসছে। গ্রামগঞ্জে বৈশাখী মেলার আয়োজন, বাড়িতে-বাড়িতে পিঠা-পায়েসের উৎসব বাঙালি পরিচয়টাকে বর্ণিল ধারায় উপস্থাপন করে। কিন্তু সম্প্রতি বৈশাখী আয়োজনে এমন কিছু অবাঞ্ছিত কৃষ্টির যোগ হয়েছে, যা কোনো সুরুচির পরিচয় বহন করে না। পোশাকে-আশাকে নারী-পুরুষ একে অন্যের অনুকরণ, অর্ধনগ্ন বসনে যথেচ্ছ বিচরণ, সামাজিক শৃংখলা আর দায়বদ্ধতার প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন কি বাঙালি সংস্কৃতিতে কোনোকালে ছিল? পৃথিবীতে কোনো ধর্মীয় জনগোষ্ঠী সংস্কৃতির নামে বেহায়াপনাকে প্রশ্রয় দেয় বলে আমাদের জানা নেই। একে বলা যায়, সাংস্কৃতিক আগ্রাসান বা অপসংস্কৃতির প্রভাব। যা আমাদের জাতীয় চেতনায় প্রবেশ করেছে। আমরা জাতিতে বাঙালি আর ধর্মীয় পরিচয়ে মুসলমান। বাঙালি হিন্দু, বাঙালি খ্রিস্টান এবং বাঙালি অন্য যেকোনো ধর্মাবলম্বী নিজের জাতীয় পরিচয় বাঙালি ও ধর্মীয় পরিচয়কে একই সঙ্গে রক্ষা করবে, এটাই কালচারের আসল কথা। তা না হলে পৃথিবীর ইতিহাস ধর্মীয় সত্তার স্বাতন্ত্র্য হারাবে। যা কিছুতেই কাম্য হতে পারে না। একইভাবে বাঙালি মুসলমান নিজের বাঙালি সত্তা ও মুসলিম সত্তাকে একই সঙ্গে সংরক্ষণ করবে, এটাই তার সংস্কৃতিবান হওয়ার আসল উপায়। মুসলমান সত্তাকে হারিয়ে বাঙালি হয়ে বা বাঙালি সত্তাকে হারিয়ে মুসলমান হয়ে বিশেষ কোনো সাংস্কৃতিক পরিচয় অর্জন করা যায় না। আসল কথা হলো, সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে সংস্কৃতি চর্চার নামে পাশবিক চেতনাকে জাগিয়ে তোলার অর্থ হলো মনুষ্যত্বের পরাজয়। যা একটা সমাজকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিতে পারে, একটা জাতিকে অশান্ত-বিভক্ত করে ফেলতে পারে।

ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করার পর যখন দেখলেন মদিনার সমাজে বছরে দুটি জাতীয় উৎসবের ধারা মদিনার জীবনকে বৈষম্য-বিভক্তিতে বিষাক্ত করে রেখেছে। তখন তিনি তাঁর অনুসারীদের জন্য সে উৎসবে যোগদান নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেন। কিন্তু সাংস্কৃতিক উৎকর্ষতা ছাড়া যে মনুষ্যত্বের পূর্ণাঙ্গ বিকাশ সম্ভব নয়! তাই তিনি তাঁদের জন্য সাম্যমূলক ও সুরুচিপূর্ণ দুটি জাতীয় উৎসবের ঘোষণা দেন। হজরত আনাস (রা.) বলেন, যখন রাসুলুল্লাহ (সা.) হিজরত করে মদিনায় এলেন, তিনি দেখতে পেলেন, সেখানকার সমাজে বছরের নির্দিষ্ট দুটি দিনে উৎসব উদ্যাপনের প্রচলন রয়েছে। যাতে তারা খেলাধুলা ও আনন্দ উপভোগ করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) জিজ্ঞাসা করলেন, এ-দুটি দিনের বিশেষত্ব কী? সাহাবিগণ উত্তর দিলেন, আমরা জাহেলি যুগে এ দুদিনে খেলাধুলা ও আনন্দ-উৎসব পালন করতাম। আর সে ধারাবাহিকতা এখনো চালু আছে। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, আল্লাহ তায়ালা তোমাদের আনন্দ উদ্যাপনের জন্য এ দুটি দিনের পরিবর্তে অন্য দুটি উত্তম দিন নির্ধারণ করে দিয়েছেন। একটি ঈদুল আজহার দিন আর অন্যটি ঈদুল ফিতরের দিন-(মিশকাত-আবু দাউদ)।

অতএব সংস্কৃতি চর্চায় ধর্মীয় স্বাতন্ত্র্য অবশ্যই বজায় রাখতে হবে। আমরা যদি নিজ নিজ ধর্মীয় বৈশিষ্ট্য ধারণ করে বাঙালি ঐতিহ্যের লালন করতে পারি, তাহলেই বিশ্বময় অহিংস-অসম্প্রদায়িক বাঙালির পরিচয় প্রতিষ্ঠিত হবে।

  • ইংরেজী হরফে বাংলা লিখা, তথাকথিত বাংলিস বাংলা ভাষার একটা অপমর্যাদা।আমার প্রিয় ভাই বোনদের প্রতি অনুরোধ ! আপনারা এটা পরিহার করুন ভাষা শহীদ দের এবং আমাদের স্বপ্ন স্বার্থক করার জন্য।